যেসব অবস্থায় সহবাস করা অনুচিত

* মহিলাদের মাসিক বা ঋতুস্রাব অবস্থায়।
* নিফাস (অর্থাৎ মহিলাদের বাচ্চা প্রসবের পর চল্লিশ দিন বা এর কমে যে কয়দিনে রক্ত আসা পরিপূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়) অবস্থায়।

* কাজের ব্যস্ততা বেশি থাকলে সে সময়।
* চিন্তা-ভাবনা, পেরেশানী ও বিচলিত অবস্থায়।
* দুর্বল ও ক্লান্ত অবস্থায়।
* মাতাল অবস্থায়।
* পেশাব-পায়খানার চাপ থাকা অবস্থায়।
* একেবারে খালি পেটে অথবা ভরপেটেও সহবাস না করা।
* যাদের গনােরিয়া রােগ রয়েছে, তাদের জন্যও অনুচিত।
* প্লেগরোগ , অসুস্থ অবস্থা ও জীবাণুযুক্ত বাতাস প্রবাহের সময়।

* দেখতে অসুন্দর, যার সাথে মনের মিল হবে না বা যার প্রতি মনের কোনাে প্রকার চাহিদা নেই, এমন মেয়েকে বিবাহ না করা। এজন্যই বিবাহের পূর্বে মেয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। যে স্ত্রীর প্রতি মনের কোনাে প্রকার চাহিদা জাগে না, তার সাথে সহবাস করলে পুরুষের শরীরে দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। হযরত লােকমান হাকীম তার ছেলে আরজমন্দ কে নছীহত করেছিলেন যে, বদছুরত মহিলা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখবে। কেননা, সে নিজে বৃদ্ধ হওয়ার পূর্বেই তােমাকে বৃদ্ধ বানিয়ে দিবে।

* অসুস্থ স্ত্রীর সাথে এজন্য সহবাস করবে না যে, তার মন মানসিকতা আপাতত সহবাসের প্রতি আগ্রহী নয়। এ ছাড়াও তার রােগে স্বামীর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

* বৃদ্ধা মহিলার সাথেও সহবাস না করা। কেননা, তার সাথে সহবাসের দ্বারা পুরুষের লিঙ্গে দুর্বলতা সৃষ্টি হতে পারে। বৃদ্ধার লজ্জাস্থান শুকনাে ও ঢিলে হওয়ার কারণে সহবাসে পুরুষরা তেমন একটা মজা অনুভব করে না। আর মজা কম অনুভব করার দ্বারা পুরুষদের সহবাসের আগ্রহে বিঘ্ন ঘটে। যা তাকে ধিরে ধিরে সহবাসে দুর্বলমনা বানিয়ে দেয়। বৃদ্ধাদের লজ্জাস্থানের ভিতরে সবসময় ঠাণ্ডা থাকে যা পুরুষাঙ্গের জন্য ক্ষতিকর। কেননা সহবাসের পর ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা কিছু ব্যবহার করাই নিষেধ। সুতরাং সে স্থানে সহবাসে পুরুষরা অবশ্যই ক্ষতির সম্মুখিন হবে। আরেক ক্ষতির দিক হল, মহিলা বৃদ্ধা হয়ে যাওয়ার কারণে তার জরায়ু পুরুষের বীর্যকে খুব চুষে থাকে, ফলে পুরুষের চেহারায় ঔজ্জ্বল্যতা হ্রাস পাওয়ার আশংকা রয়েছে এবং দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তবে বৃদ্ধা মহিলা যদি দেখতে অপরূপা ও সুন্দরী হয়, যাকে দেখলে এখনও সহবাসের ইচ্ছা জাগে, তার সাথে সহবাসে ক্ষতির সম্ভবনা কম।

বি.দ্র. মহিলাদের বয়স যখন পঞ্চাশের উর্ধে চলে যায়, তখনই তারা বৃদ্ধের কাতারে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যান।

* নর্তকী, বাজারী বা বেশ্যা নারীর সাথে সহবাসে এইডস নামক মারাত্মক রােগ দেখা দিতে পারে। অনেক মানুষের বীর্য এসব নারীদের লজ্জাস্থানে নির্গত হয় এবং এর প্রভাবে বিভিন্ন কীট-পতঙ্গ সৃষ্টি হয়, যার প্রতিক্রিয়া ও ক্ষতি সন্তানাদির উপরও পড়ে।

* হামেলা বা গর্ভধারীনি নারীর সাথেও সহবাস না করা। বিশেষ করে গর্ভবতী হওয়ার প্রথম থেকে তৃতীয় মাস পর্যন্ত এবং অষ্টম থেকে সন্তান জন্মগ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত সহবাস না করা উচিত। এ সময়ে বাচ্চাদানিতে নাড়াচাড়া মাত্রাতিরিক্ত হলে অনেক সময় গর্ভপাত হয়ে যায়। বিশেষ করে যে পুরুষদের লিঙ্গ বেশ লম্বা তারা যদি গর্ভবতী স্ত্রীর সাথে সহবাস করেন, তবে অধিকাংশ মহিলার গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। কেননা গর্ভাবস্থায় মহিলাদের লজ্জাস্থানে গরমের ভাব তুলনামূলক বেশি থাকে। এর সাথে যদি সহবাসের গরম যোগ হয়, তাহলে অতি সহজেই গর্ভপাত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* যেসব মহিলাদের মুখে দুর্গন্ধজাতীয় রোগ রয়েছে, তাদের সাথেও সহবাস না করা উচিত। কারণ ক্ষুধা ও পিপাসার সময় মুখের দুর্গন্ধ আরো বৃদ্ধি পায়। আর মুখের এ দুর্গন্ধ স্বামীর মনে সহবাসের সুপ্ত খাহেশ হ্রাস পেতে থাকে এবং তার পুরুষত্বে দুর্বলতা দেখা দিয়ে থাকে।

* যে স্ত্রী অধিক সময় স্বামীকে নিজের কাছে রেখে তাকে চুম্বন করে, জড়িয়ে ধরে যৌন আকর্ষণে লিপ্ত রাখে, কিন্তু সহজে সহবাস করতে দেয় না। বরং স্বামী সহবাস ব্যতিত বাকী সব আনন্দ দিয়ে মাতােয়ারা করুক এবং শেষ পর্যায়ে সহবাস করুক। স্বামীকে এমন যৌনকাজে লিপ্ত রাখলে, অনেক সময় স্বামীর বীর্যপাত হয়ে যায়। আর এমন হলে স্বামীর মনে দ্রুত বীর্যপাতের ভয় ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেননা পুরুষের সব সময়ই যৌন চাহিদা জেগে থাকে এবং পুরুষাঙ্গের ব্লগসমূহ স্ফীত হয়ে যায়। সহবাসের পূর্বেই স্বামীর বীর্যপাত হলে মানসিক চিন্তা বেড়ে যায় এবং লজ্জিত হয়ে নিজেকে দুর্বল পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত মনে করতে থাকে। স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে তার এ বিষয়টির স্মরণে সে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। মানসিকভাবে দুর্বল পুরুষের বীর্যপাত খুব দ্রুত হয়ে যাবে।

You may also like...

error: Content is protected !!