যাদের জন্য এবং যেসব অবস্থায় সহবাস করা ঠিক নয়

* যাদের পুরুষাঙ্গ দুর্বল, তাদের স্ত্রী সহবাস করা ঠিক নয়।
* কাঁপুনি রােগে আক্রান্ত ব্যক্তির সহবাস করা অনুচিত।
* দুঃখ-কষ্ট, ব্যথা-বেদনা, গােস্সা কিংবা শারীরিক মেহনতের কারণে ক্লান্ত থাকাবস্থায় সহবাস করা অনুচিত।
* যাদের যৌন চাহিদা একেবারেই কম।
* যাদের দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কম।
* যাদের হজমশক্তি খুবই দুর্বল।
* যাদের বীর্য পানির ন্যায় তরল।
* যাদের বক্ষ একেবারে অপ্রশস্ত।
উপরােক্ত ব্যক্তিরা বেশি বেশি সহবাস করলে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখিন হওয়ার অধিক সম্ভবনা রয়েছে।

যেসব অবস্থায় সহবাস করা ঠিক নয়
* ভরপেটে সহবাস করা অনুচিত। এ সময় শরীর খাদ্য হজমে ব্যস্ত থাকে। যদি এ অবস্থায় সহবাস করা হয়, তবে হজমে ত্রুটি হবে। ফলে বিভিন্ন রােগের সৃষ্টি হবে। যৌনবিদদের অভিমত হল, রাতের প্রথমাংশে সহবাস না করা উত্তম। কেননা এ সময় পাকস্থলী খাদ্যে ভরপুর থাকে।

* খালি পেটেও সহবাস না করা। কেননা অণ্ডকোষদ্বয় বীর্য মূত্রথলী থেকে সন্ধান করে। আর মূত্রথলী তার খাদ্য কলিজা থেকে সংগ্রহ করে। আর কলিজা পাকস্থলী থেকে সংগ্রহ করে। সহবাসের সময় যদি পাকস্থলী খালি থাকে, তবে সহবাসের দ্বারা শরীর একেবারেই দুর্বল হয়ে যাবে। শরীরের দুর্বলতা যৌনচাহিদা সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক। ধীরে ধীরে শরীরের শক্তি হ্রাস পায়। মনের ধুকধুকানী রােগ সৃষ্টি হয়। খালি পেটে সহবাস করা ভরপেটে সহবাস করার চেয়েও অধিক ক্ষতিকর।

নিমােক্ত অবস্থাতেও সহবাস করা অনুচিত
পেটে বদ হজম হলে সহবাস উচিত নয়। দুঃখ-কষ্ট, ব্যথা-বেদনা, চিন্তা, লজ্জা-শরমের অবস্থাতেও সহবাস উচিত নয়। অধিক মেহনতের পর, অধিক গরমের সময়ও সহবাস অনুচিত। কেননা, এসব অবস্থায় সহবাস করলে নিজেকে কিছুক্ষণের জন্য বিরত রাখতে হয়। অন্যথায় শরীর একেবারে ক্লান্ত হয় এজন্য মন তখন আরাম চায়, কোনাে প্রকার কষ্ট বা মেহনত করার প্রতি আগ্রহ থাকে না। যেহেতু শরীরে প্রচণ্ড চাপ পড়ে এবং পেরেশানী বৃদ্ধি পায়, যা মনের চাহিদার বিপরীত। তাই এ অবস্থায় সহবাস না করাই উত্তম।

ঘুম ঘুম ভাব অবস্থায় সহবাস উচিত নয়। বিভিন্ন চিন্তায় ঘুম না আসলে সহবাসের মাধ্যমে নিজেকে দুর্বল বানিয়ে ঘুমানাের চেষ্টা করা অনুচিত। কেননা, ঘুম এমন বিষয় যা শরীরের যাবতীয় ক্লান্তি দুর করে। কিন্তু সহবাস ক্লান্তি তৈরি করে। দেমাগ ও শরীর যখন আরাম চায়, তখন সহবাস করে নিজেকে ক্লান্ত বানানাে ঠিক নয়।

বমির পর, দাস্ত বা পাতলা পায়খানার পর, অম্ল বা তিক্ত ফল খাওয়ার পর এবং ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পরপরই সহবাস অনুচিত।

শরীর খুব ঠাণ্ডা অবস্থায় সহবাস না করা। এ সময়ের সহবাসে বেশিক্ষণ অবস্থান করা যায় না এবং মরদামী শক্তি কমতে থাকে।
স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিত বা অসম্মতিতে তার সাথে সহবাস অনুচিত।

মাঠে, চাঁদনী রাতে, অন্ধকারে, মাসের পনের ও শেষ তারিখ এবং সহবাসের পরই আবার সহবাস অনুচিত। যতক্ষণ না নতুন যৌনশক্তি সৃষ্টি হয়।

মাতাল ও নেশার শেষাবস্থায় সহবাস না করা। এ সময় মানুষের চিন্তা ফিকির ও জ্ঞান-বুদ্ধি বলতে কিছুই থাকে না। এ অবস্থার সহবাসে যেসব সন্তান জন্ম নিবে তারা বেউকুফ ও নির্বোধ হয়ে জন্মগ্রহণ করবে।

যেখান থেকে সূর্য সরাসরি দেখা যায় বা তার কিরণ সহবাসের স্থানে এসে পৌছে সহবাস অনুচিত। এতে যেসব সন্তান জন্ম নিবে, তারা সর্বদা চিন্তা ও অস্থিরতায় ভুগবে।

ফলদার গাছের নিচের সহবাসে সন্তান সর্বদা জালেম বা অত্যাচারি হয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সহবাসের দ্বারা সন্তানের চরিত্র খারাপ হয়ে থাকে।

সূর্য উদয় ও অস্ত যাওয়ার সময় সহবাসের দ্বারা যেসব সন্তান জন্ম নেয়, তারা সাধারণত চোর বাটপার হয়ে থাকে। তদ্রুপভাবে ঈদের রাতে সহবাসের দ্বারা ভূমিষ্ট সন্তান অধিকাংশ সময় খারাপ হয়ে থাকে।

যৌনবিদদের মতে কুরবানী ঈদের রাতে স্ত্রী সহবাসে যেসব সন্তান ভূমিষ্ট হয়, তারা চার বা ছয় আঙ্গুলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

বসে বসে সহবাসে সম্পূর্ণ বীর্য বের হতে পার না। এতে কিডনী বা পেটে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরুষাঙ্গ ফুলা বা এমন রােগ দেখা দিতে পারে।

একপার্শ্ব থেকে সহবাস করলে মূত্রথলীতে ব্যাথা হতে পারে। কেননা, এভাবে সহবাসের দ্বারা সম্পূর্ণ বীর্য পুরুষাঙ্গ থেকে বের নাও হতে পারে। যা বিভিন্ন রােগের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

উত্তম হল বিশ বছর বয়সের পূর্বে সহবাস না করা। কেননা এর পূর্বে যৌন চাহিদার পূর্ণ শক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে সৃষ্টি হয় না। সুতরাং বিশ বছরের আগে কোনাে মহিলার নিকট এবং ষাট বছর অতিক্রমের পর সহবাস থেকে নিজেকে বিরত রাখা উচিত। এসময় সাধারণত বীর্য থাকে না। হাড়ি যখন দুর্বল হয়, তখন সহবাসে শরীর একেবারেই দুর্বল হয়ে যাবে। ভূমিকম্পের সময়, ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পর গােসলের আগেই সহবাস অনুচিত।

বি. দ্র. উপরে উল্লেখিত বিষয়ে যত্নবান থেকে নিজেকে নিয়মতান্ত্রিক পরিচালনা করা উচিত। অন্যথায় নিজে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

You may also like...

error: Content is protected !!